আমার আগে আমরা আমাদের আগে দেশ

শোষনের আগে অধিকার, ভেদাভেদের আগে সমতা
অপমানের আগে সম্মান, নেতার আগে জনতা…
আমার আগে আমরা, আমাদের আগে দেশ
ক্ষমতার আগে জনতা, সবার আগে বাংলাদেশ !

আরও দেখুন
stechit.com
About image
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সম্পর্কে

সংসদ সদস্য (নেত্রকোণা-১) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী

কায়সার কামাল বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব।[১][২] ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ১৫৮৩৪৩ ভোট পেয়েছিলেন, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম রব্বানী ৮৭৪৮৮ ভোট পেয়েছিলেন। ফলস্বরূপ, তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোণা-১ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিনিধিত্ব করে জয়লাভ করেন। তাকে সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয় এর প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিল।
১২ মার্চ ২০২৬, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে নির্বাচিত হন।

  • নাম :

    ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

  • শিক্ষা :

    লিঙ্কনস ইন (যুক্তরাজ্য) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • নির্বাচনী এলাকা :

    নেত্রকোণা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর)

  • পদবী :

    সংসদ সদস্য (MP), আইন বিষয়ক সম্পাদক (বিএনপি) এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার।

  • ভাষা :

    বাংলা এবং ইংরেজি

  • ঠিকানা :

    সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবন, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।

জীবনবৃত্তান্ত দেখুন আইনি কার্যক্রম
ব্যারিস্টার কায়সার কামালের

জীবন ও সংগ্রামের ইতিহাস

উচ্চশিক্ষা ও ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল অর্জন (যুক্তরাজ্য)
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল লন্ডনের বিখ্যাত দ্য অনারেবল সোসাইটি অব লিংকনস ইন (Lincoln's Inn) থেকে 'ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল' ডিগ্রি অর্জন করেন। এর আগে তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওলভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এটি ছিল তার পেশাগত জীবনের ভিত্তি।
সুপ্রিম কোর্টে আইনি ক্যারিয়ারের সূচনা
যুক্তরাজ্য থেকে ফিরে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। অত্যন্ত অল্প সময়ে তিনি একজন দক্ষ লিটিগেটর হিসেবে পরিচিতি পান এবং জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ও ফৌজদারি মামলা পরিচালনায় অংশ নেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি
তার মেধা ও দলের প্রতি আনুগত্যের কারণে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটিতে আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান। দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আইনি প্যানেলের অন্যতম প্রধান সদস্য হিসেবে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব নির্বাচিত
২০১৯ এবং পরবর্তীতে পুনর্গঠিত কমিটিতে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব নির্বাচিত হন। সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার জাতীয়তাবাদী আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং আইনি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন গড়ে তুলতে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন।
ফ্যাসিবাদ বিরোধী আইনি লড়াই (২০১৮-২০২৪)
বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া হাজার হাজার রাজনৈতিক মামলার আইনি লড়াইয়ে তিনি সম্মুখসারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশেষ করে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন এবং তারেক রহমানের মিথ্যা মামলাগুলো রাজনৈতিকভাবে এবং আইনিভাবে মোকাবেলায় তিনি সারা দেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
সংসদ সদস্য (MP) হিসেবে জয়লাভ (২০২৬)
কায়সার কামাল বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব।[১][২] ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ১৫৮৩৪৩ ভোট পেয়েছিলেন, যেখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম রব্বানী ৮৭৪৮৮ ভোট পেয়েছিলেন। ফলস্বরূপ, তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোণা-১ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিনিধিত্ব করে জয়লাভ করেন
feature image
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার
১২ মার্চ ২০২৬, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে নির্বাচিত হন।

ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পেয়ে আনন্দিত

আপনার এমপি’কে লিখুন

'FAQ' বা 'Common Queries'

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল: সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (২০২৬)

উত্তর: ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উত্তর: তিনি ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩৪৩ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

উত্তর: তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

উত্তর: প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি জানিয়েছেন, তার প্রধান লক্ষ্য হলো ভূমি সেবাকে স্বচ্ছ ও আধুনিক করা এবং কলমাকান্দা-দুর্গাপুর তথা দেশের সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায়বিচার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

উত্তর: তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর শেষ করে লন্ডনে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন এবং ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবী।

উত্তর: হ্যাঁ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নেত্রকোনা-১ এলাকার রাস্তাঘাট, মন্দির, গির্জা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গৃহহীনদের ঘর তৈরিসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি একটি বৈষম্যহীন 'রেইনবো স্টেট' (Rainbow State) গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

Blog

Our Blog